টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় স্ত্রী রোজী বেগমকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর ওই দিন রাতেই থানায় এসে ধরা দিয়েছেন লতিফ নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার দুপুরে উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দিবাগত রাত ২টার দিকে থানায় হাজির হয়ে ধরা দেন লতিফ। নিহত রোজী বেগম মুচির চালা গ্রামের হাসমত আলীর মেয়ে।
মির্জাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, লতিফ মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু রাতেই থানায় হাজির হন লতিফ। আদালতে হত্যার দায় স্বীকারও করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লতিফ মিয়া দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী রোজী বেগম একজনের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান। বছর দুয়েক আগে লতিফ মিয়া দেশে এসে তার স্ত্রীকে সংশোধন করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তার স্ত্রী কৌশলে পরকীয়া প্রেম চালিয়ে যান। এসব নিয়ে মনোমালিন্যের জেরে তার স্ত্রী রোজী বেগম বাবার বাড়ি চলে যান।
রোববার পারিবারিক সালিশের মাধ্যমে রোজীকে স্বামীর বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। সোমবার আবার তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়। পরে কুড়াল দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান লতিফ। পরে রাত ২টার দিকে থানায় হাজির হন তিনি।
আরপিকে/




