পশু চিকিৎসক ও প্রাণীবিজ্ঞানীরা প্রকৃতিতে এমন অনেক বিষয় পর্যবেক্ষণ করেন, যা অনেকের কাছে অদ্ভুত বা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে — যেমন, কুকুর মিলনের সময় ‘আটকে’ যাওয়া। দুঃখজনক বিষয় হলো এই প্রাকৃতিক আচরণটি অনেকেই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন এবং তখন অনেকেই নিষ্ঠুর আচরণ করেন। যেমন — কুকুরকে লাথি মারা, আঘাত করা বা জোরপূর্বক আলাদা করার চেষ্টা করেন।
🧠 চলুন জেনে নিই আসলে কী ঘটে তখন?
কুকুরের প্রজনন প্রক্রিয়ায় একাধিক ধাপ থাকে। এরমধ্যে একটি ধাপ হলো টাই বা আটকে থাকার ধাপ। এ সময় পুরুষ কুকুরের পুরুষাঙ্গের একটি অংশ (Bulbus glandis) ফুলে যায়, আর একই সময়ে স্ত্রী কুকুরের যৌন অঙ্গে পেশি সংকোচন ঘটে — ফলে দু’টি প্রাণী স্বাভাবিকভাবেই আটকে যায়।
⏱ এই অবস্থা ৫ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এটা দেখতে অস্বাভাবিক মনে হলেও এটি একেবারে স্বাভাবিক এবং কুকুরদের জন্য বেদনার নয়। এই সময়টাতে প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয় তরল নির্গত হয়।
❌ জোরপূর্বক আলাদা করলে কী হতে পারে?
🔴 উভয় কুকুরের দেহে পেশি ছিঁড়ে যেতে পারে।
🔴 স্ত্রী কুকুরের প্রজননতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
🔴 পুরুষ কুকুরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ- যেমন কিডনি পর্যন্ত ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
✅ দয়া করে হস্তক্ষেপ করবেন না। কুকুরেরা তাদের স্বাভাবিক প্রজনন আচরণ অনুসরণ করছে। তারা কারও ক্ষতি করছে না। তাদের প্রতি সদয় হোন। 🕊️ প্রকৃতিকে তার নিজস্ব নিয়মে চলতে দিন 📣 মনে রাখুন সচেতনতা ও সহানুভূতি — এ দুটোই সবচেয়ে বড় মানবতা। সব প্রাণীর প্রতি সদয় হোন।
আরপিকে/




