সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


যে কারণে ১৫ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার সর্বনিম্ন

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিগত পাসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দীর্ঘ ১৫ বছরের মধ্যে এবারই এই বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে কম। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রাম বোর্ডে সামগ্রিক পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে। গত বছরের তুলনায় এই পাসের হার শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কম হওয়ায় শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পাসের হারের পাশাপাশি এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। চলতি বছর এই বোর্ড থেকে মাত্র দুই হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় তিন হাজার ১৬৮ জন কম। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন একশ চৌদ্দটি কেন্দ্রের মাধ্যমে দুইশ আশিটি কলেজের প্রায় ছিয়ানব্বই হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ছিল সাতচল্লিশ দশমিক ছয় দুই শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ছিল তিপ্পান্ন দশমিক আট নয় শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের দুর্বল ফলাফল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজিতে পাসের হার মাত্র পঁয়ষট্টি দশমিক সাত সাত শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল, যা অন্য যেকোনো বিষয়ের তুলনায় সবচেয়ে কম। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেবল একটি বিষয়ে ফেল করেছে বাইশ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী। বিষয়ভিত্তিক এই বড় হোঁচট সামগ্রিক ফলাফলকে মারাত্মকভাবে পেছনের দিকে টেনে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর ফলাফল তুলনামূলক ভালো হলেও পার্বত্য জেলাগুলোর করুণ দশা পুরো বোর্ডের গড় ফলাফলকে ডুবিয়েছে। চট্টগ্রাম শহরে পাসের হার ছেষট্টি দশমিক দুই শূন্য শতাংশ থাকলেও কক্সবাজার ও পার্বত্য তিন জেলার চিত্র ছিল হতাশাজনক। কক্সবাজারে তেতাল্লিশ দশমিক তিন চার শতাংশ, রাঙামাটিতে তেত্রিশ দশমিক দুই চার শতাংশ, বান্দরবানে একচল্লিশ দশমিক চার দুই শতাংশ এবং খাগড়াছড়িতে মাত্র ঊনত্রিশ দশমিক আট পাঁচ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

এই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ফলাফলের এই নিম্নগতির পেছনে একাধিক জটিল কারণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি জেলাগুলোতে শিক্ষাগত পিছিয়ে পড়া অবস্থা এবং ইংরেজি বিষয়ের মতো জনবহুল বিষয়ে কম পাসের হারই চট্টগ্রাম বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলকে তলানিতে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন এই শিক্ষা কর্মকর্তা।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

সিংগাইরে জমি জরিপে ঘুষ-বাণিজ্য, কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে গেছেন সার্ভেয়াররা

অপরাধ ডেস্ক: মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে বা বিডিএস কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img