সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন আজ

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চার হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি বড় প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বন্দরটির সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন শীর্ষক এই প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় একটি নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়ন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের একটি বড় উদাহরণ।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন এটি নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৩৬৮ মিটার সম্মিলিত দৈর্ঘ্যের দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। এই অবকাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে প্রতি বছর প্রায় তিন লাখ ৯৪ হাজার টিইইউ কনটেইনার সহজে হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এছাড়া ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটার আয়তনের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, খালি কনটেইনার ইয়ার্ড এবং বিপজ্জনক পণ্য রাখার বিশেষ ইয়ার্ডও নির্মিত হবে।

এর আগে চীন সরকারের এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় তিন কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের সহজ শর্তের ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করা হয়। গত চীন সফরকালে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়। এই প্রকল্পে চীন সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতার ফলে বন্দরের পণ্য সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও বেশি দক্ষ ও গতিশীল হয়ে উঠবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণের পাশাপাশি চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিল্প বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই আধুনিকীকরণ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন জাতীয় অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মোংলা বন্দরকে আঞ্চলিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস কেন্দ্রে পরিণত করবে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ডাকে আসা ব্যালট হাতে গোনা হচ্ছে কিছু জায়গায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল ফলাফল ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়ে গেলেও বেশ কয়েকটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত তীব্র হওয়ায় চূড়ান্ত...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img