সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চ দখল করছে আবেদনময়ী এআই তরুণীরা

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দাপটে নাটকীয়ভাবে বদলাতে শুরু করেছে স্ট্যান্ড-আপ কমেডির পরিচিত জগৎ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতা উল্টালেই আজকাল চোখ আটকে যায় আকর্ষণীয় কিছু ভার্চুয়াল নারীর কৌতুক পরিবেশনায়। ইটের দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত আবেদনময়ী ভঙ্গিতে তারা সম্পর্ক, ডেটিং ও প্রাপ্তবয়স্ক নানা বিষয় নিয়ে কৌতুক পরিবেশন করে চলেছে। আর এসকল মন ভোলানো ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে লাখ লাখ দর্শকের কাছে, যা বিনোদন জগতের প্রচলিত ধারাকেই এক নতুন মোড়ে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে।

তবে এই ভার্চুয়াল বিনোদনের নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে এক অসৎ চর্চা যা নিয়ে সরব হয়েছেন মাঠপর্যায়ের শিল্পীরা। অভিযোগ উঠেছে, এআই দিয়ে নির্মিত এসব কৌতুকের অধিকাংশ উপাদানই হুবহু চুরি করা হয়েছে বাস্তব জীবনের তরুণ ও কম পরিচিত নারী কমেডিয়ানদের কনটেন্ট থেকে। বিশেষ করে যারা ডেটিং বা যৌনতা নিয়ে রম্য রচনা করেন, তাদের লেখার ভাষা এবং উপস্থাপনার ভঙ্গি নির্মমভাবে নকল করা হচ্ছে। নিউ ইয়র্কের অনেক কমেডিয়ান প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে তাদের জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বহু মৌলিক কৌতুক এআই নির্মাতারা বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিচ্ছে।

বাস্তব দুনিয়ার নারী শিল্পীদের শারীরিক গঠন বা সৌন্দর্য নিয়ে প্রায়শই নানা কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়, আর সেই সংকীর্ণ মানসিকতাকেই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এআই প্রযুক্তি। এসব ভার্চুয়াল কমেডিয়ানের রূপ ও আবেদন এতটাই নিখুঁত করা হয় যে তা খুব সহজেই সাধারণ দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফলে বহু ক্ষেত্রে মূল শিল্পীর আকর্ষণীয় পারফরম্যান্সের চেয়েও এআই নির্মিত আবেদনময়ী চরিত্রগুলো বেশি দর্শক টেনে নেয়। এমনকি এই ভিডিওগুলোতে কৃত্রিম দর্শকের হাসি বা করতালির শব্দ যুক্ত করে মানুষের স্বাভাবিক প্রতিক্রিকেও ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে, যা দর্শকদের মানসিকতার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

শিল্পীদের এই উদ্বেগের বিপরীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর পক্ষ থেকে এখনো কোনো কঠোর পদক্ষেপ বা কার্যকর সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রভাবশালী প্রযুক্তি কর্তাব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন যে এআইয়ের এই রথযাত্রা সম্পূর্ণ বন্ধ করা বাস্তবসম্মত নয়, যদিও তারা মূল শিল্পীদের অধিকার সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে জোকস চুরি করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হলেও ভার্চুয়াল জগতের ক্ষেত্রে সেই সামাজিক জবাবদিহিতা বা লজ্জা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে এই অনিয়ন্ত্রিত চর্চা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কৌতুকের মতো মৌলিক ও মানবিক শিল্পচর্চা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

দেশের সব চিনিকল নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল

অর্থনীতি ডেস্ক: নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে বিশেষ কার্যক্রম শুরু করেছে।...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img