সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, দুদকের মামলায় তিন উপসচিব ওএসডি

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

আইন-আদালত ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার এবং জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অভিযুক্ত তিনজন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়। ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে প্রবেশকারী এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

ওএসডি হওয়া তিন সরকারি কর্মকর্তা হলেন জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক। দুর্নীতি দমন কমিশনের নিবিড় অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে কোটাসংক্রান্ত জালিয়াতির তথ্য বেরিয়ে আসার পর চলতি বছরের শুরুর দিকে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকার কারণেই মূলত প্রশাসন তাদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ওএসডি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুদকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার সময় অভিযুক্ত এই কর্মকর্তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কোনো আবেদনই করেননি। অথচ পরবর্তীতে তাদের সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে এবং জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত কোটায় ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মূল ফলাফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নথিপত্রে জালিয়াতি করে তাদের প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন নজিরবিহীন অনিয়ম জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

এদিকে অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন উপসচিব পদে দায়িত্ব পালন করে আসলেও বাকি তিনজন অন্য ক্যাডারেই বহাল রয়েছেন। তবে বাকিদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কী ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অতীতে বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষায় কোটা জালিয়াতির মাধ্যমে অকৃতকার্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করার মতো গুরুতর অভিযোগ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধেও উঠেছিল। এই ঘটনাটি সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আবারও জোরালোভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়াতে কড়া বার্তা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সম্প্রতি রাজধানীর...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img