সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল এবং বিনিয়োগবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে নতুন নীতিগত সহায়তার প্রস্তাব করেছে স্টক ব্রোকারদের প্রধান সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ব্যক্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ কর অব্যাহতি দেওয়ার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট সীমার বেশি মুনাফার ওপর কর প্রদান করতে হয়, যা অনেক সময় বাজারের স্বাভাবিক লেনদেন ও তারল্য প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি ডিবিএ-এর পক্ষ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের কাছে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সঙ্গে বৈঠক করে এই রূপরেখা তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া লেনদেনগুলোকে এই কর অব্যাহতির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

এই বিশেষ করছাড়ের সুবিধা মূলত সাধারণ ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রযোজ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে, তবে কোম্পানির স্পনসর, পরিচালক এবং স্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বর্তমান করব্যবস্থার আওতাতেই রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সংগঠনটি। ডিবিএ মনে করে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিসিবিএল পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু না করা পর্যন্ত কর হিসাবের প্রক্রিয়া জটিল থাকতে পারে। তাই এই আধুনিক ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে চালুর পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বিনিয়োগকারীদের কর অব্যাহতি প্রদান করা যুক্তিযুক্ত হবে।

সংগঠনটির নেতারা বিশ্বাস করেন যে, এই ধরনের কর সুবিধা বাস্তবায়িত হলে বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। মুনাফার অর্থ পুনরায় বাজারে বিনিয়োগ করার সুযোগ তৈরি হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূলধন সংগ্রহের পথও আরও প্রসারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কর অব্যাহতি কার্যকর করা হলে সরকারের রাজস্ব আয়ে সাময়িক কোনো প্রভাব পড়বে কি না এবং এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে সুযোগ বাড়ছে বাংলাদেশের

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কম মূল্যের পোশাক ও ফ্যাশন পণ্যের ব্যবসায়িক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img