সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


বিশ্ব পর্যটনে যুক্ত হয়েছে দুটি ভিন্নমাত্রার জাদুঘর

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

ভ্রমণ ডেস্ক: শিল্পকলা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস চর্চার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিশ্বজুড়ে জাদুঘরের গুরুত্ব সবসময়ই অপরিসীম। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক পর্যটন মানচিত্রে সম্পূর্ণ নতুন ধারণার দুটি জাদুঘর যুক্ত হয়েছে, যা ভ্রমণপ্রেমী ও গবেষকদের মাঝে দারুণ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি মানুষকে শত শত বছর আগের রোমাঞ্চকর সামুদ্রিক বাণিজ্যের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। অন্যদিকে অন্যটি আধুনিক যুগের পপ কালচার, চলচ্চিত্র এবং কল্পনার জগতকে এক অনন্য উচ্চতায় উপস্থাপন করছে। অভিনব নকশা এবং প্রযুক্তির চমৎকার ব্যবহারের কারণে এই জাদুঘরগুলো ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার বিখ্যাত মল অব এশিয়া কমপ্লেক্সের ভেতরে গড়ে উঠেছে ‘মুসেও দেল গালিওন’ নামক আকর্ষণীয় এই জাদুঘরটি। স্প্যানিশ আমলের ঐতিহাসিক ম্যানিলা-আকাপুলকো সামুদ্রিক বাণিজ্য রুটে ফিলিপিনো নাবিকদের সাহসিকতা ও অবদানের স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। জাদুঘরের ভেতরে প্রশান্ত মহাসাগরে চলাচলকারী প্রাচীন একটি জাহাজের শত ফুট উঁচু ও বিশাল আকaster রেপ্লিকা তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, এলইডি স্ক্রিন এবং বিশেষ সুগন্ধির মাধ্যমে দর্শনার্থীরা প্রাচীন যুগের নাবিকদের সমুদ্রযাত্রার বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। এছাড়া টাচস্ক্রিনের সাহায্যে সেকালের নক্ষত্র দেখে দিক নির্ণয়ের কৌশল শেখার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এখানে।

এর সম্পূর্ণ বিপরীত ধারার একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জর্জ লুকাস এবং মেলোডি হবসন দম্পতির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেড় বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ‘লুকাস মিউজিয়াম অব ন্যারেটিভ আর্ট’। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে কাজ চলার পর সম্প্রতি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এই বিশাল প্রতিষ্ঠানটি। চীনা স্থপতি মা ইয়ানসোংয়ের নকশায় নির্মিত পাঁচতলা বিশিষ্ট এই ভবনটির বাহ্যিক রূপটি একটি ফিউচারিস্টিক মহাকাশযানের মতো। এর চারপাশের বিশাল চত্বরে সবুজের সমারোহ ঘটিয়ে পরিবেশবান্ধব এক নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

এই জাদুঘরে প্রায় ৪০ হাজার দুর্লভ শিল্পকর্মের এক বিশাল সংগ্রহ রয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক না রেখে পাঁচটি ভিন্ন থিমে ভাগ করা হয়েছে। ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ ও ফ্রিদা কাহলোর বিখ্যাত চিত্রকর্মের পাশাপাশি এখানে স্থান পেয়েছে জনপ্রিয় কমিকস ও ইলাস্ট্রেশন। বিশেষ করে ‘স্টার ওয়ার্স’ এবং ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স’ চলচ্চিত্রের শত শত আসল প্রপস ও পোশাক দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। প্রাচীন সামুদ্রিক বাণিজ্যের ইতিহাস এবং আধুনিক পপ সংস্কৃতির এই দুই ভিন্নধর্মী নিদর্শন বিশ্ব পর্যটনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img