সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


‘শালা–সম্বন্ধী পরীক্ষার্থী ছিল’, বিচারকের প্রশ্নে বললেন আসামি

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার সাত আসামিকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের পক্ষ থেকে আসামিদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়। উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে যাওয়া সাত আসামি হলেন মো. মফিজুল ইসলাম, মো. রুবেল ইসলাম, মো. হাসিনুর রহমান ওরফে সুজন, আসাদুল ইসলাম, এস এম এমদাদুল রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও নূর মোহাম্মদ। তাঁদের মধ্যে নূর মোহাম্মদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিস সহায়ক, জাহাঙ্গীর ও ইমদাদুল কম্পিউটার অপারেটর, আসাদুল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক এবং রুবেল পরিবেশ অধিদপ্তরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত। বাকি দুজন প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার কিছু সময় আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ও উত্তর ছড়িয়ে পড়ে। আসল প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিল পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়। পরে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি করেছিল এই চক্রটি।

আসামিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাগজপত্র ও আর্থিক দলিলপত্র জব্দ করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসামিদের কাছ থেকে একশ টাকার ১১৬টি স্ট্যাম্প, চাকরিপ্রার্থীদের ১০টি মূল সনদ, ৪০ জনের অধিক প্রার্থীর ব্যাংক চেকের পাতা এবং চেক বই উদ্ধার করা হয়েছে। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে আসছে এবং এর সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

আদালতে শুনানিকালে বিচারক আসামিদের কাছে জব্দকৃত আলামতের বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদুল ইসলামের কাছে বিপুল পরিমাণ চেক ও প্রবেশপত্র পাওয়ার বিষয়ে বিচারক জানতে চাইলে তিনি জানান যে তাঁর আত্মীয়স্বজন ও শালা-সম্বন্ধীরা পরীক্ষার্থী ছিলেন। তবে সরকারি চাকরিতে থেকে ব্যবসা করা এবং অন্যের নথিপত্র রাখার বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিস্তার

জাতীয় ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস।...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img