সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


চট্টগ্রাম বন্দরে সাড়ে ৮ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার প্ল্যান্টের উদ্যোগ

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

অর্থনীতি ডেস্ক: পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ভবন ও গুদামঘরের ফাঁকা ছাদ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় বন্দরের অব্যবহৃত ছাদগুলোতে প্রায় সাড়ে আট মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার একটি রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট বা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের বিশেষ নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বাণিজ্যিক চুক্তিটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়েটিভ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরে আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ওপেক্স মডেলে এই সোলার প্ল্যান্টটি নির্মাণ করবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে এই বিশাল আকারের পরিবেশবান্ধব প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রাথমিক অবস্থায় কোনো ধরনের মূলধনী অর্থায়ন করতে হবে না। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী দুই দশক ধরে বন্দরকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করবে ওই প্রতিষ্ঠানটি।

প্রকল্পটির সম্পূর্ণ নকশা প্রণয়ন থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, নির্মাণকাজ, মান পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে প্ল্যান্ট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের সমস্ত দায়িত্ব পালন করবে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি। নির্দিষ্ট করা স্থির মূল্যের ভিত্তিতে উৎপাদিত এই সৌরবিদ্যুৎ ক্রয় করবে বন্দর কর্তৃপক্ষ, যা তাদের দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদার একটি অংশ মেটাবে। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন যে, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে দীর্ঘ ২০ বছরে বিদ্যুৎ বিল বাবদ প্রায় একশ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। এর ফলে বিকল্প জ্বালানি নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর বন্দরের সামগ্রিক চাপ অনেকাংশে কমে আসবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা অনুযায়ী, উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভবিষ্যতে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার সুযোগও তৈরি হবে। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং প্যারিস চুক্তির নীতিমালা মেনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ দারুণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি আর্থিক সাশ্রয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে একটি পূর্ণাঙ্গ সবুজ বা গ্রিন পোর্ট হিসেবে রূপান্তর করার পথে এটি একটি মাইলফলক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

সারা দেশে জমে উঠেছে শারদীয় দুর্গোৎসব

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব দেশজুড়ে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। রাজধানী...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img