সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

শিক্ষা ডেস্ক: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা গেছে। উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেনি। এর ফলে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এবং সার্বিক শিক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এবারের পরীক্ষায় দেবিদ্বার থেকে মোট দুই হাজার ছয়ানব্বই জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে মাত্র এক হাজার একান্ন জন শিক্ষার্থী। পুরো উপজেলায় সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র বিয়াল্লিশ দশমিক ছয় চার শতাংশ, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ হতাশাজনক। এছাড়া পুরো উপজেলাজুড়ে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এবারের ফলাফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে বাগমারা ইসলামী আলিম মাদ্রাসা থেকে, যেখান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ওই মাদ্রাসা থেকে একুশজন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও তাদের একজনও সফলতার মুখ দেখেনি, ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার নেমে এসেছে শূন্য শতাংশে। এমন ফলাফল কেবল ওই প্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, বরং পুরো উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত পাঠদান ও তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটির এই বেহাল দশা তৈরি হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন দেবিদ্বার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা। তিনি জানান, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিপর্যয়ের নেপথ্য কারণগুলো খুঁজে বের করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

শিক্ষা ডেস্ক: কেবল ভালো ফল কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জনই শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে না। প্রকৃত সুনাগরিক, নৈতিকতাসম্পন্ন এবং...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img