সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


মেসিকে পেছনে ফেললেন রোনালদো

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

খেলা ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বে লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন থামার নামই নিচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের লড়াইয়ে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা এই দুই মহাতারকা এবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন সমর্থকদের এক বিশেষ ভোটে। ব্যালন ডিঅর পুরস্কারের ইতিহাসে কোন খেলোয়াড়ের ট্রফি জয়ী মৌসুমটি সবচেয়ে সেরা ছিল, তা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করা হয়। ফ্রান্স ফুটবলের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনলাইন ভোটে আর্জেন্টাইন জাদুকর মেসিকে বেশ বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে দিয়েছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রোনালদো।

চলতি মাসের শুরুতে শুরু হওয়া এই বিশেষ ভোটাভুটিতে সমর্থকরা বিগত বছরগুলোতে একাধিকবার ব্যালন ডিঅর জয়ী ১০ জন কিংবদন্তি ফুটবলারের সেরা মৌসুমগুলোকে বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই তালিকায় মেসি ও রোনালদোর পাশাপাশি ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি, মার্কো ফন বাস্তেন, রোনালদো নাজারিও এবং ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের মতো কিংবদন্তিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে সব তারকার পারফরম্যান্স ছাপিয়ে ভোটারদের মন জয় করেছে রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুম। ওই বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার সুবাদে তিনি নিজের প্রথম ব্যালন ডিঅর অর্জন করেছিলেন এবং এই বিশেষ ভোটে তার সেই মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় বাষ্পীভবন ৬২ শতাংশ সমর্থন।

অন্যদিকে, ব্যালন ডিঅরের ইতিহাসে অবিশ্বাস্য এক রেকর্ড গড়া মেসির ২০১২ সালের মৌসুমটি এই ভোটাভুটিতে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ওই নির্দিষ্ট পঞ্জিকাবর্ষে অবিশ্বাস্যভাবে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন মেসি এবং টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডিঅর জিতেছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও ভক্তদের এই বিশেষ ভোটে তার সেই ঐতিহাসিক মৌসুমের পক্ষে মাত্র ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এছাড়া মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডিঅর জয়ের মৌসুমটি পেয়েছে ৯ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে রোনালদোর ২০০৭ ও ২০১৬ সালের মৌসুমগুলো যথাক্রমে ৭ শতাংশ এবং ২ শতাংশ ভোট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এই ভোটাভুটির পুরো প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ বাণিজ্যিক ও আকর্ষণীয় দিকও যুক্ত করা হয়েছে, যার কারণে এটিকে খাঁটি ফুটবল র‍্যাঙ্কিংয়ের চেয়ে ভক্তদের আবেগ ও পছন্দের প্রতিফলন হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ভোট দেওয়ার জন্য এক ইউরো খরচ করতে হচ্ছে এবং একজন ভোটার চাইলে একই খেলোয়াড়কে একাধিকবার ভোট দিতে পারছেন। পাশাপাশি ভোটারদের জন্য ব্যালন ডিঅর মূল অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার আকর্ষণীয় লটারি এবং ট্রফির ছবি সংগ্রহের বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে এই ভোটের ফলাফলকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় নির্ধারণের চূড়ান্ত মানদণ্ড না ভেবে বরং ইতিহাসের সেরা মৌসুমগুলোর প্রতি সমর্থকদের মুগ্ধতার মাপকাঠি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

সারা দেশে জমে উঠেছে শারদীয় দুর্গোৎসব

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব দেশজুড়ে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। রাজধানী...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img