সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


সৌদিতে ‘দণ্ডপ্রাপ্তদের’ তালিকায় আরও ২০ বাংলাদেশি, নজরুল-সুইটির মতো তাঁদের শাস্তিও জানায়নি

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

প্রবাস ডেস্ক: সৌদি আরবের কারাগারে বন্দি থাকা আরও দুই ডজন বাংলাদেশির আইনি অবস্থা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি সরকারের পাঠানো একটি বন্দী তালিকার চুলচেরা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্তত বাইশজন নাগরিকের নামের পাশে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ কথাটি লেখা থাকলেও তাঁদের নির্দিষ্ট কোনো সাজার কথা উল্লেখ নেই। অর্থাৎ আদালতের রায়ে তাঁদের ঠিক কী ধরনের শাস্তি বা কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর কোনো রায় এসেছে কি না, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

এর আগে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার নামের দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি আকস্মিকভাবে প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। ঠিক তেমনি এই বাইশ জনের ক্ষেত্রেও কী রায় হয়েছে তা জানা না থাকায় তাঁদের পরিবারগুলোও গভীর উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বন্দনাধীন নাগরিকদের আইনি সহায়তা ও কনস্যুলার সুবিধা নিশ্চিত করার তাগিদে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

কনস্যুলেট সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ প্রায় আড়াই হাজার বন্দির একটি দীর্ঘ তালিকা পাঠায়। ওই তালিকা পরীক্ষা করতে গিয়েই শাস্তির কলাম ফাঁকা থাকার বিষয়টি কর্মকর্তাদের নজরে আসে। পরবর্তীতে গত ১৯ অক্টোবর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা অঞ্চল শাখায় পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত রায়ের সারসংক্ষেপ পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়, যাতে কারাগারে থাকা নাগরিকদের পক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বন্দিদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক পাচার, ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় আইন অমান্য এবং সাইবার অপরাধের মতো বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট সাজার বিবরণ না থাকায় তাঁদের অপরাধের মাত্রা বা পরিণতির বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ সৌদি আইনি প্রক্রিয়ায় একই ধরনের অপরাধে ভিন্ন মাত্রার শাস্তি হতে পারে, ফলে রায় না জানা পর্যন্ত কনস্যুলেটের পক্ষে আইনি লড়াই বা আপিলের সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়ে।

এদিকে বন্দিদের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে আরেকটি পৃথক চিঠিতে বিভিন্ন শ্রেণior বন্দিদের দ্রুত মুক্তি, রাজকীয় ক্ষমার আওতায় আনা এবং বিচারাধীন মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া নিখোঁজ বা অজ্ঞাত স্থান থেকে আটক হওয়া আরও দুই বাংলাদেশির সন্ধান পেতেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এসব চিঠির এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন

প্রযুক্তি ডেস্ক: বিশ্বের সিংহভাগ ওয়েবসাইটের মূল চালিকাশক্তি বা প্রোগ্রামিং ভাষা হলো পিএইচপি। ইন্টারনেট দুনিয়ার ব্যাকএন্ড বা নেপথ্য কার্যক্রমে সবচেয়ে...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img