সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

সত্য ও নির্ভরশীল সংবাদ প্রচারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ


এইচএসসি ও সমমান: ‎২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

- বিজ্ঞাপন -spot_img
সবচেয়ে জনপ্রিয়

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে একটি উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। এবারের পাবলিক পরীক্ষায় দেশের মোট ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০২টি। তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে একটিও পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক লাফে একানব্বইটি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঠিক উল্টো চিত্রও রয়েছে কিছু প্রতিষ্ঠানে, যেখানকার সব পরীক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়। রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে অবস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফলাফল প্রকাশের এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিরাও এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের মোট এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশে মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি এবং সব মিলিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে সন্তোষজনক ফলাফলের পাশাপাশি শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও এবার কিছুটা ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। দেশের মাত্র ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন, যা সামগ্রিক ফলাফলের একটি ছোট অংশ মাত্র।

উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়েই এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হলেও তা শেষ হতে কিছু ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটেছিল। চলতি বছরের ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট লিখিত পর্ব শেষ হওয়ার কথা ছিল এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া ওই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর ওই বোর্ডের লিখিত কার্যক্রম শেষ হয় গত ৯ সেপ্টেম্বর। বিভিন্ন প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রকাশিত এই ফলাফল নিয়ে এখন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে নানা বিশ্লেষণ চলছে।

- বিজ্ঞাপন -spot_img
spot_img
সর্বশেষ সংবাদ

বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, জয়ের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচের চতুর্থ দিনে বৃষ্টির কারণে দফায় দফায় বিঘ্ন ঘটছে খেলায়।...
- বিজ্ঞাপন -spot_img
একই রকম পোস্ট
- বিজ্ঞাপন -spot_img